টেস্ট ক্রিকেটের ২৫টি বছর পার হয়ে গেল, বলার মত কোন অর্জন নেই। সময়ে সময়ে ভালো করার ইঙ্গিত দিলেও সেই মনদের ভালো দিয়ে টেস্টে বিশ্ব ক্রিকেটে কোন বার্তাই দিতে পারেনি টাইগাররা। তবে টাইগারদের হয়ে যিনি বিশ্ব ক্রিকেটে এক রেকর্ডের বার্তা দিয়েছিলেন সেই মানুষটি হাত দিয়েছেন ছেলেদের বেটিংয়ে। এবার যদি বদল আসে, এবার যদি একটা বার্তা দেয়া যায়। তবে একটা সিরিজ কিংবা অল্প সময় যে এর জন্য জতেশঠ নয় এ কথাও মাথায় রাখতে হবে।
কোচ আশরাফুলের অভিষেকের আগে আগে নিজের সব রেকর্ড আর অর্জন নিয়ে স্মৃতি কাতর আশরাফুল নিয়ে গেলেন সেসব গল্প রচনার দিন গুলোতে, ১৭ থেকে ১৮ বছরের বয়সের মধ্যে মোহাম্মদ আশরাফুলের আগে তিনজন মানুষ শতক করেছিলেন, সেই তিন মুস্তাক মোহাম্মদ-পাকিস্তান, সচিন টেন্ডুলকার-ভারত আর হেমিল্টন মাসাকদজা-জিম্বাবুয়ে। তবে ২ সেপ্টেম্বর ২০০১ সালে কলম্বোয় শ্রীলংকার সাথে মোহাম্মদ আশরাফুল মাত্র ১৭ বছর ৬১ দিনে ১১৪ রানের ইনিংস খেলে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড নিজের করে নেন।
যে রেকর্ড বিগত ২৪ বছরেরও কেউ ভাঙতে পারেনি, সেই মুধুর স্মৃতি তার কাছে এখনও যেন তাজা।যার ভক্ত সারা দেশ জুড়ে সেই আশরাফুলও কারো ভক্ত এ গল্পও নতুন নয়, তবে পুরনো সেই গল্পও নতুন এক শুরুর সময়ে তাঁর মুখে শুনা যাক আবার।
আপনি আরও একবার আমাদের আশার ফুল হয়ে ফুটুন, টেস্ট ক্রিকেটে যে রেকর্ড বয়ে বেড়ান নিজের করে সেরকম রেকর্ড কোচ হিসেবেও আসুক আপনার হাত ধরে। খেলাটা যখন শুরু করেছিলেন তখনও কেউ বিশ্বাস করেনি আপনিই হতে যাচ্ছেন সেই রেকর্ড বয়, এবারও কেউ বিশ্বাস করছে না। তাতে আপনার কি, আপনিতো জানেন মনের গভীরে কি লুকয়ে আছে। টেস্ট ক্রিকেটে আমাদের যেসব ভুল সব ফুটুকনা ফুল হয়ে, আপনি যে আমাদের আশার ফুল।




