আচমকা গোল হজমের পর সেই যে পথ হারালেন আফঈদা-ঋতুপর্ণারা, বাকিটা সময়ে আর দিশা পেলেন না। তাতে এক যুগেরও বেশি সময় পর জাতীয় স্টেডিয়ামে ফেরার ক্ষণ রাঙিয়ে রাখতে পারল না বাংলাদেশ। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করল পিটার বাটলারের দল।
মালয়েশিয়ার গোলের চেয়ে বাংলাদেশের কোচের কৌশলই এজন্য বেশি দায়ী। তিনি তার হাই লাইন ডিফেন্স কৌশল চলমান রেখেছেন। এতে খুব সহজেই বাংলাদেশের রক্ষণ ভেদ করেছেন মালয়েশিয়ান ফরোয়ার্ড নুর আনিশা। গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে গেলেও বলের লাগাল পাননি। দারুণ দক্ষতায় নুর আনিশা বাংলাদেশের জালে বল পাঠান।
বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা কিক অফ লাইনেই ছিলেন সব সময়। ফলে মালয়েশিয়ার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের ডিফেন্ডারদের মাথার ওপর দিয়ে বল ফেলা অথবা মাঝ দিয়ে লম্বা বল দিয়ে আক্রমণ শাণানো। এতে বেশ কয়েকবারই সফল হয়েছিল মালয়েশিয়া। তাদের ফরোয়ার্ডদের মান খুব বেশি উন্নত না হওয়ায় গোল একের বেশি হয়নি।
বাংলাদেশ নিজেদের মাটিতে খেলছে। অথচ খেলার মধ্যে তেমন কোনো ধারই ছিল না। ছন্নছাড়া ভাব আর অপিরিকল্পিত ফুটবল। ঋতুপর্ণা কয়েকবার একক প্রচেষ্টায় দূর পাল্লার শট কিংবা বল নিয়ে বক্সে প্রবেশের চেষ্টা করলেও সেগুলো গোল হওয়ার মতো ছিল না। ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহার বক্সে বিপদজনকভাবে কয়েকবার প্রবেশ করলেও সেগুলো গোলে রূপান্তর করতে পারেননি।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এশিয়া কাপ খেলবে। সেই এশিয়া কাপের প্রস্তুতির জন্য ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে বাফুফে। নারী ফুটবল উপভোগ করতে আজ স্টেডিয়ামে হাজার পাঁচেক দর্শকও উপস্থিত হয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত পুুরুষ ফুটবল ম্যাচের মতো উন্মাদনা না থাকায় স্টেডিয়াম এলাকার নিরাপত্তা ততটা জোরদার ছিল না। এরপরও আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুযায়ী স্টেডিয়ামের দোকানপাট বন্ধ ছিল।







