বিপিএলের ১২ তম আসরের দিতিয় সেঞ্চুরি হয়ত দেখা যেত ঢাকা নোয়াখলী ম্যাচে। তবে রান তাড়া কম হওয়ায় সেটা হয়নি, ৯০ রানে থামতে হয়েছে নাসির হোসেনকে। তবে এবারের বিপিএলের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড এর মালিক যে নাসির হোসেনই। ১৩ বছর পর বিপিএলের নিজের করা হাইয়েস্ট রানের রেকর্ডটাও ভেঙ্গেছেন আজ। নাসিরের অতিমানবিয় ইনিংসে ভর করে ঢাকা তুলে নেয় আসরের দিতিয় জয় ।
বয়সটা শুধুই যে একটা সংখ্যা, সেটা যে এবারের বিপিএলে প্রমাণ হচ্ছে প্রতি ম্যাচে। মুশফিক, মাহামুদুল্লাহর পর এবার সেটা যেন হাড়ে হাড়ে সবাইকে বুঝিয়ে দিলেন নাসির হোসেনও। নোয়াখালির বিপক্ষে নাসির হোসেন আজ খেলেছেন ঝোড়ো ইনিংস। ৫০ বলে করেন ৯০ রান। হয়েছেন ম্যাচ সেরা ক্রিকেটার।
এর আগে গত পরশু চট্টগ্রামের বিপক্ষে ২৩ বলে ফিফটি করেছিলেন রংপুর রাইডার্সের কাইল মেয়ার্স। ২ দিন বাদেই এবার সেই রেকর্ড ভাঙলেন নাসির। ২১ বলের ঝলমলে ফিফটিতে ১০টি চার ও ১টি ছক্কা মেরেছেন নাসির। মানে ৫০ রান করতে নাসির দৌড়ে রান নিয়েছে মাত্র ৪ টি। তার বীরত্বসূচক এই ইনিংসে নোয়াখালীর বিপক্ষে জয় নিয়ে মাঠ ছেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
কি ছিল না নাসিরের ইনিংসটায়? চার- ছয়ে দ্যুতি ছড়িয়েছেন। ১৪ রানে ঢাকার ২ উইকেট যাওয়ার পর নাসির নেমে ইরফান শুক্কুরের সাথে গড়েছেন পারটনারশিপ। তাদের জুটি ৫০ রান রানের মাইলফলক ছুয়েছে। দলীয় ৭৩ রানে ভাঙ্গে নাসির শুক্কুরের জুটি। ৫৯ রানের জুটিতে ইরফানের ব্যাটে আসে মাত্র ১২ রান, আর বাকি সব রান নেন নাসির হোসেন। নাবি, হাসান মাহমুদ, মায সাদাকাত্ম যাহির কেউই আজ ধোপে টেকেনি নাসির হোসেনের সামনে।
নাসিরের সতীর্থ সাব্বির হোসেন বলেছিলেন ৬//৭ নম্বরে খেলে ৫০/১০০ করা সম্ভব না।। নাসির হোসেন আজ টপ ওরডারে খেলে সাব্বিরের ভাবনাকে পূর্ণতা দিয়েছে। নাসিরের ৯০ রানের ইনিংসে আজ ছিল ১৪ টি চার ও ২ টি ছয়ের মার। অভিজ্ঞতার মিশেলে একটি দুর্দান্ত ইনিংস। এর আগে নাসির কখোনো ৩ নম্বরে ব্যাট করেনি। দলের হয়ে এমন পারফরমেন্সের পর নাসিরকে উপরে খেলানোর ভাবনাটা হয়ত ঘুরপাক খাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টের মাথায়.
দিপ্ত পাল
সি স্পোর্টস


